ফাইভার গিগ র_্যাংক বৃদ্ধি করার জন্য কিভাবে এসইও করবেন_
ফাইভার গিগ র‍্যাংক বৃদ্ধি করার জন্য

অর্ডার পাওয়ার জন্য ফাইভার গিগ এসইও র‍্যাংক বৃদ্ধি করা বাধ্যতামূলক। আপনি যদি আপনার গিগ প্রথম পাতায় নিয়ে আসতে না পারেন, তাহলে বায়ারের কাছ থেকে সরাসরি অর্ডার পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। আপনার যদি একটা ব্লগ ওয়েবসাইট থাকে, তাহলে আপনি অবশ্যই এসইও সম্পর্কে জানেন। এবং কিভাবে এসইও কাজ করে সেই বিষয়ে আপনার যথেষ্ট ধারণা রয়েছে। ব্লগ পোস্ট গুগলের প্রথম পাতায় নিয়ে আসার জন্য যেভাবে এসইও সাহায্য করে ঠিক একইসাথে ফাইভার গিগ র‍্যাংক করার জন্য এসইও কাজ করে।

কিভাবে ফাইভার গিগ এসইও র‍্যাংক বৃদ্ধি করবেন?

ফাইভার গিগ এসইও
ফাইভার গিগ এসইও

চিন্তা করুন এবং তা নোট করুন। আপনাকে বিভিন্ন কৌশল অনুসরণ করতে হবে। যদি আপনার ব্যক্তিগত কোনো টিপস এবং ট্রিকস থাকে অবশ্যই কমেন্ট করে তা আমাদের সাথে শেয়ার করুন। আজকে আমি আপনাদের জন্য আমার ব্যক্তিগত কৌশলগুলো শোয়ার করবো।

ফাইভার গিগ র‍্যাংক পেতে সঠিকভাবে অন-পেইজ এসই করুনঃ

ফাইভার গিগ র‍্যাংক পাওয়ার জন্য অন-পেইজ এসইও খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি সঠিকভাবে অন-পেইজ এসইও প্রয়োগ করতে পারেন, তাহলে ৫০% গিগ র‍্যাংকিং কাজ সম্পন্ন করতে সক্ষম হয়েছেন। একজন ব্লগারের মতো করে অন-পেইজ এসইও করতে হবে।

কিভাবে অন-পেইজ এসইও করবেন?

নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন। কোনভাবে এগুলো অবহেলা করা যাবেনা। বলতে পারেন বায়ারের কাছ থেকে অর্ডার পাওয়ার জন্য এগুলো অনেক বেশি ভূমিকা রাখে। এজন্যই আমি এগুলোকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ দেওয়ার কথা বলছি।

আপনার গিগ টাইটেল অপটিমাইজ করুনঃ

সুন্দর সহজ ছোট এবং অর্থবহ গিগ টাইটেল ফাইভারের প্রথম পাতায় আসতে বেশি সাহায্য করে। বিশেষ করে একটা অর্থবহ সুন্দর টাইটেল বায়ার কে ও আকৃষ্ট করে। বায়ার সর্বপ্রথম আপনার টাইটেলটি পড়েন। যদি আপনার টাইটেল দেখে সে সন্তুষ্ট হয়, তাহলে আপনার গিগটির উপর ক্লিক করেন। মনে রাখবেন টাইটেলের মধ্যে যেন আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ড ব্যবহার করা হয়।

গিগ ডেসক্রিপশন অপটিমাইজ করুনঃ

ডেসক্রিপশনের মধ্যে আপনার সার্ভিস সম্পর্কে সহজভাবে আলোচনা করুন। গিগ ডেসক্রিপশনের প্রথম অংশ হবে স্বাগত মেসেজ এবং আপনার দক্ষতা সম্পর্কে ছোট্ট আলোচনা। এই আলোচনার মধ্যে কমপক্ষে একবার আপনার টার্গেটেড কিওয়ার্ডটি ব্যবহার করুন। আপনার সম্পূর্ণ ডেসক্রিপশনের মধ্যে কিওয়ার্ডটি তিনবার ব্যবহার করুন। যেন সার্চ ইঞ্জিন আপনার গিগ সহজে পড়তে পারে।

আপনার গিগের জন্য পাঁচটি কিওয়ার্ড রিসার্চ করুনঃ

ফাইভার গিগ র‍্যাংক এর জন্য কিওয়ার্ডগুলো অনেক বেশি কাজে আসে। সাধারণত প্রতিটি গিগ এর জন্য পাঁচটি কিওয়ার্ড ব্যবহার করতে সুযোগ দেওয়া হয়। ফাইভারে কিওয়ার্ড গুলোকে ট্যাগ বলা হয়। মনে রাখবেন আপনার ট্যাগ গুলো যেন দুই শব্দ এবং ২০ অক্ষরের বেশি না হয়।

সবকিছু ঠিক থাকলে এবার আপনার গিগ প্রকাশ করুন। আশাকরি আপনি আপনার অন-পেইজ এসইও সেকশনে সেরাটা দিয়েছেন। এবার আপনি অফ-পেইজ এসইও-তে মনোযোগ দিয়ে কাজ করুন।

ফাইভার গিগ র‍্যাংক পেতে কিভাবে অন-পেইজ এসইও করবেন?

ফাইভার গিগ র‍্যাংক করার জন্য আপনি একাধিক কৌশল অনুসরণ করতে পারেন। এমনকি আপনি একজন এসইও এবং ডিজিটাল মার্কেটিং অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্য নিতে পারেন। আমি আপনাকে সাধারণ কিছু কৌশল শেয়ার করবো যা আপনাকে ফাইভার গিগ র‍্যাংক পেতে সাহায্য করবে।

আপনার বন্ধু কে দিয়ে একটা রিভিউ সংগ্রহ করুনঃ

যদিও এই কাজটা অন্যায়। কিন্তু বর্তমান সময়ে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য রিভিউ অনেক আপনাকে সাহায্য করতে পারে। বায়ারের বিশ্বাস অর্জনের জন্য ৫ স্টার রিভিউ খুবই প্রয়োজন। এমনকি এটা আপনার গিগ দ্রুত প্রথম পাতায় নিয়ে আসতে সাহায্য করে। আপনার কাছের কোনো বন্ধু কে দিয়ে অর্ডার করে সুন্দর মতামত যুক্ত করে একটা ৫ স্টার রিভিউ সংগ্রহ করুণ।

সোস্যাল মিডিয়াতে আপনার গিগ মার্কেটিং করুনঃ

অধিকার সেলার মার্কেটিং করার পরিবর্তে স্পামিং করেন। এটা করতে গিয়ে ভালোর চেয়ে খারাপ বেশি হয়ে যায়। সুতরাং একজন “Influencer” হিসেবে মার্কেটিং করুন স্পামিং করবেন না। গিগ শেয়ার করার সময় সুন্দর কিছু পরামর্শ দিয়ে শেয়ার করুন।

ফোরাম সাইটে গিয়ে পোস্ট করুনঃ

বিভিন্ন ফোরাম সাইটে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে রাখুন। এগুলোতে আপনাকে নিয়মিত ভিজিট করতে হবে। এখানে কারা কি বিষয়ে কথা বলছে তা দেখুন। অন্যদের সাহায্য করতে চেষ্টা করুন। ছোট ছোট সাহায্য করার মাধ্যমে জটিল সমস্যার সমাধান পাওয়ার জন্য আপনাকে ফাইভার থেকে হায়ার করতে উৎসাহিত করুন।

নিজের ব্লগ বা পোর্টফলিও তৈরী করুনঃ

আমার কাছে এটি সবচেয়ে কার্যকর মার্কেটিং মনে হয়। শুধুমাত্র ফাইভার গিগ র‍্যাংক এর জন্য নয়, বরং নিজের জন্য একটা আজীবন কাজের প্লাটফর্ম তৈরী করার জন্য এটি সেরা উপায়। যেকোনো সময় আপনার ভূলের কারণে ফাইভার আপনাকে ব্যান করে দিতে পারেন অথবা ফাইভার নিজেদের ব্যবসা বন্ধ করে দিতে পারেন। এসময় আপনাকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য আপনার ব্যক্তিগত একটা ব্লগ ওয়েবসাইট বা পোর্টফলিও সাইট আপনাকে সাহায্য করবে।

আজকের লেখা এতটুকুতে শেষ করেছি। পরে আরো কিছু কৌশল শেয়ার করবো। তবে আপনার মতামত কমেন্ট করতে একদম ভুলে যাবেননা।

নিচের বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান।