কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ৫টি কার্যকর কৌশল

কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ৫টি কার্যকর কৌশল

Advertisement

আজকে আমরা কনটেন্ট মার্কেটিং নিয়ে আলোচনা করব। যদি আপনি অনলাইন প্রফেশনাল হয়ে থাকেন বা অনলাইনে কাজ করে থাকেন, তাহলে অবশ্যই কনটেন্ট মার্কেটিং বিষয়টা আপনি বারবার শুনবেন, হাজারবার শুনবেন। কেননা কনটেন্ট মার্কেটিং হচ্ছে অনলাইনের কাজের মৌলিক একটি বিষয়। কারণ কনটেন্ট ছাড়া অনলাইনে আপনি বেঁচে থাকতে পারবেন না। ই-কমার্স বিজনেস, অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, বা যেকোনো সেক্টর নিয়ে আপনি কাজ করেন না কেন, কনটেন্ট মার্কেটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আপনার ওয়েবসাইটের মূল লক্ষ্য হচ্ছে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে বিক্রি বৃদ্ধি করা। আর বিক্রি বৃদ্ধি করা জন্য প্রয়োজন ক্রেতাদের খোজে বের করা।

ওয়েবসাইটে যদি কোন ট্রাফিক না আসে, তাহলে কিভাবে বিক্রি সম্ভব?

এজন্য আজকের আর্টিকেলে ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি করার মাধ্যমে বেশি বিক্রয় সংগ্রহ করার কিছু কৌশল আপনাদের সাথে শেয়ার করা হবে। হ্যাল্লো, আমি তাওহিদ। আজকে আমি আপনাদের সাথে ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি করা নিয়ে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের ৫টি কার্যকর কৌশল শেয়ার করতে যাচ্ছি। যা অনুসরণ করলে অবশ্যই আপনি সর্বোত্তম ফলাফল পাবেন। অনলাইনে মার্কেটিং এর কৌশল বিভিন্ন সেক্টরে বিভক্ত। কিন্তু যারা অনলাইনে মার্কেটিং করে তারা সবাই কিন্তু কনটেন্ট নিয়ে মার্কেটিং করে। কনটেন্ট বিভিন্ন প্রকার হতে পারে। যেমন ভিডি, অডিও, টেক্সট, বা ইমেজ কনটেন্ট, ইত্যাদি।

কন্টেন্ট মার্কেটিং এর কার্যকর কৌশল
কন্টেন্ট মার্কেটিং এর কার্যকর কৌশল

মার্কেটিং এর উপাদান গুলো কমন হলেও মার্কেটিংয়ের পদ্ধতি বিভিন্ন রকম রয়েছে। মার্কেটিং শেখার কোন শেষ নাই। এখানে আপনাকে সব সময় ব্যক্তিগত কৌশলগুলো প্রয়োগ করার চেষ্টা করতে হবে। তার মানে এই নয় যে অন্যদের কৌশলগুলো আপনি প্রয়োগ করবেন না। আপনি সব সময় অন্যদের কাছ থেকে শিখবেন এবং পাশাপাশি নিজের ব্যক্তিগত কৌশল জেনারেট করবেন। যেগুলোর মাধ্যমে আপনি অন্যদের হার মানাতে সক্ষম হবেন।

কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের ৫টি কার্যকর কৌশল:

আজকে আমরা পাঁচটি জনপ্রিয় কৌশল নিয়ে আলোচনা করব। যেহেতু আগেই বলেছি আপনি বুঝে গেছেন কনটেন্ট মার্কেটিং এর অনেকগুলো কৌশল রয়েছে তার মধ্যে থেকে আমরা পাঁচটি কৌশল আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি। হয়তো অনেকগুলো কৌশল আমাদের নিজেদেরও অজানা রয়েছে। আপনি যদি আপনার জানা কৌশলটি আমাদের সাথে শেয়ার করতে চান, তাহলে নিচের কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন। এর মাধ্যমে আপনার গুরুত্বপূর্ণ কৌশল সম্পর্কে আমরা জানতে পারব। প্রয়োজনে আমরা আপনার কৌশলটি আমাদের পোস্টের সাথে যুক্ত করে দিব। মানে পাঁচটি কৌশলের সাথে আপনার কৌশলটি সহ ছয়টি কৌশল যুক্ত হয়ে যাবে। এভাবে আমাদের এই আর্টিকেলটিতে কৌশলগুলোর মার্কেটিংয়ের কৌশল সংখ্যা বৃদ্ধি পেতে থাকবে।

প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট টাইটেল কাস্টমাইজ করা –

আপনাকে একটা প্রশ্ন করি। আপনি যখন গুগলে কোনকিছু খোঁজেন, তখন গুগল যে সকল ফলাফল দিয়ে থাকে তার মধ্যে সর্বপ্রথম আপনি কোন বিষয়টির দিকে মনোযোগ দেন? নিশ্চিত আপনি প্রথমেই টাইটেলের দিকে মনোযোগ দিয়ে থাকেন। ঠিক একইভাবে আপনার মতো প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৯০ জন আগে টাইটেল পড়ে দেখেন, টাইটেল পড়ার পরে অন্যান্য বিষয়ে মনোযোগী হওয়ার চেষ্টা করে।

সুতরাং ওয়েবসাইটের ট্রাফিক বৃদ্ধি করার জন্য আপনার প্রোডাক্ট ও কন্টেন্ট টাইটেল কাস্টমাইজ করা খুবই প্রয়োজনীয়। এটির উপরে নির্ভর করে অনেক ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট ভিজিট করে থাকে। আপনি কি কন্টেন্ট লিখেছেন, তা পরের বিষয়। আপনি যা লিখেন না কেন ট্রাফিক পাওয়ার অসাধারণ কৌশল টাইটেল কাস্টমাইজ করা। এখন হয়তো আপনি চিন্তা করছেন, আমি আগে যা পোস্ট করেছি তার টাইটেল কিভাবে কাস্টমাইজ করা যায়। এখন কাস্টমাইজ করলে কোন সমস্যা হবে কিনা। আপনাদের হয়ে প্রশ্নটিই আমি নিজেই করে দিলাম।

আগের পোস্টের টাইটেল পরিবর্তন করলে কোন সমস্যা হবে কি?

উত্তর হচ্ছে: না। আপনার জন্য বলছি আপনি যখন চান ইচ্ছে মতো আপনার টাইটেল কাস্টমাইজ করতে পারেন। তবে লিংক পরিবর্তন করবেন না। যদি কোন কারণে লিংক পরিবর্তন করার প্রয়োজন হয়। তাহলে ৩০১ লিংক রি-ডাইরেক্টর ব্যবহার করুণ। লিঙ্ক রিডাইরেক্ট সিস্টেম ব্যবহার না করলে লাভের চেয়ে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হয়ে যাবে। এজন্য অবশ্যই আপনার কোন লিংক পরিবর্তন করতে হলে 301 রি-ডাইরেক্ট প্লাগইন অথবা কোডিং ব্যবহার করতে হবে।
সুতরাং চিন্তা না করে আপনি আপনার পূর্বের কন্টাক্টগুলো টাইটেল খুব সহজে অপটিমাইজ করতে পারেন। যেন আপনি একাধিক ট্রাফিক সার্চ ইঞ্জিন থেকে পেয়ে যান। টাইটেল অপটিমাইজেশনের কৌশলটি আপনি ব্যবহার করে দেখুন। আশাকরি এখান থেকে খুব ভালো রেজাল্ট আপনি পাবেন।

ওয়েবসাইট ট্রাফিকের জন্য ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করুণ –

আমরা ওয়েবসাইটে পোস্ট করার সময় অনেকে অবহেলা করে ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করি না। কিন্তু ওয়েবসাইট ট্রাফিক পাওয়ার জন্য ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। আপনার ব্লগে বা ওয়েবসাইটে যত বেশি ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করেন, গুগল মনে করে আপনার আর্টিকেলটি তত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এজন্য আপনার পোস্ট গুগল দ্রুত সার্চ রেজাল্টের প্রথমে নিয়ে আসে। সাধারণত একটি ইন্টারনাল লিংক যুক্ত কররে পোস্টটি এসইও ফ্রেন্ডলি হয়ে যায়। তবে আমার পরামর্শ হচ্ছে, আপনি প্রতিটি পোস্টে কমপক্ষে তিনটি করে ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করবেন।

ইন্টারনাল লিংক কন্টেন্ট মার্কেটিং
ইন্টারনাল লিংক কন্টেন্ট মার্কেটিং

ইন্টারনাল লিংক করার সময় অবশ্যই কিছু বিষয় আমাদের মাথায় রাখতে হবে। অনেকেই অপ্রয়োজনীয়’ ইন্টারনাল লিংক যুক্ত করে ফেলেন। কিন্তু এই লিংকগুলো যুক্ত করার ক্ষেত্রে আপনাকে আপনার কনটেন্ট এর উপর নির্ভর করে গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করতে হবে। মানে আপনার কনটেন্ট রিলেটেড লিংক আপনাকে যুক্ত করতে হবে। যেমন মনে করুন, আপনার কনটেন্ট হচ্ছে জুয়েলারি কসমেটিক পণ্য নিয়ে। কিন্তু আপনি লিংকিং করলেন বেস্ট ওয়েব হোস্টিং আইটি কোম্পানির তথ্য। যদি এমন অপ্রয়োজনীয় লিংক আপনি করে থাকেন, তাহলে সাবধান হয়ে যান এবং আগের ভুলগুলো সংশোধন করতে সময় ব্যয় করুন।

Advertisement

রিলাভেন্ট লিঙ্ক গুগল অ্যালগরিদম কে নোটিশ করে আপনার কনটেন্ট সম্পর্কে। যদি গুগল অ্যালগোরিদমের নোটিশটি পজিটিভ হয়ে থাকেন, তাহলে আপনার আর্টিকেল খুব দ্রুত গুগল সার্চে চলে আসবে বা অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনের রেজাল্টে দ্রুত চলে আসবে। যদি আপনি অনৈতিকভাবে লিংকিং এর কাজ সম্পন্ন করেন। অর্থাৎ অপ্রয়োজনীয়’ লিংকিং করে থাকেন, তাহলে গুগল রেঙ্ক দেওয়ার পরিবর্তে আপনার আর্টিকেলটিকে সার্চ রেজাল্ট থেকে ব্যান করে দিতে পারে।

সোস্যাল মিডিয়াতে লিংক শেয়ার করুণ –

সোস্যাল মিডিয়াতে লিংক শেয়ার করারও কিছু কৌশল রয়েছে। আপনি জানেন কি? ফেসবুকে প্রায় কোটিরও বেশি ওয়েবসাইট লিংক নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে। আপনি যদি সচেতন না হয়ে সোস্যাল মিডিয়াতে লিংক শেয়ার করেন, তাহলে আপনিও নিষ্ক্রিয় হয়ে যেতে পারেন। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইট যেন ফেসবুক বা অন্যান্য সোস্যাল মিডিয়া নিষ্ক্রিয় না করে। তার জন্য আপনি লিংক শেয়ারের ক্ষেত্রে কিছু বিষয় সঠিক করে নিবেন।

যে সকল বিষয়গুলো আপনাকে মেনে চলতে হবে সোশ্যাল মিডিয়াতে লিংক শেয়ার করার জন্য:
  • একাধিক পেইজে বা গ্রুপে লিংক শেয়ার করবেননা
  • একই লিংক বার বার শেয়ার করবেননা
  • আপনার ওয়েবসাইটের নামে একটা পেইজ ও গ্রুপ তৈরি করে লিংক শেয়ার করুণ
  • পেইজের সাথে ওয়েবসাইট লিংক ভেরিফাই করুণ
  • লিংক শেয়ার করার সময় কিছু কন্টেন্ট লিখুন।

সোশ্যাল মিডিয়াতে লিংক শেয়ার করার সময় ভদ্রতা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন যারা শুধুমাত্র লিংক টা কপি করে শেয়ার করে দেন। কিন্তু এমনটা করলে আপনি ভালো ফলাফল এখান থেকে আশা করতে পারবেন না। এমন কাজগুলোর জন্য সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম গুলো আপনার লিংকটিকে স্পামিং হিসেবে সিলেক্ট করতে পারে। এমনকি এই কাজের জন্য আপনার ওয়েবসাইট লিঙ্ক চিরতরে নিষ্ক্রিয় করে দিতে পারে। সুতরাং উপরের বিষয়গুলো মেনে চলুন এবং প্রফেশনাল পদ্ধতিতে আপনার ওয়েবসাইটের লিংক সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করুন।

ইমেইল মার্কেটিং করুণ –

বর্তমান সময়ে ইমেইল মার্কেটিং খুবই জনপ্রিয় ও শক্তিশালী একটি মার্কেটিং টুল। আপনি ইমেইল মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে হাজার হাজার ওয়েবসাইট ট্রাফিক ও ক্রেতা বৃদ্ধি করতে পারেন। তবে ইমেইল মার্কেটিং বা ইমেইল পাঠানোর কিছু কৌশল রয়েছে। আমি এই লেখাটিতে ইমেইল মার্কেটিংয়ের কৌশল নিয়ে আলোচনা করবো না। কারণ, এটা নিয়ে লিখতে গেলে অনেক বড় পোস্ট লিখতে হবে। এজন্য বলছি যারা ইমেইল মার্কেটিং বিষয়ে জানেন তারা এই কৌশল অনুসরণ করতে পারেন। তবে যারা জানেন না তাদের জন্য আমি ইমেইল মার্কেটিংয়ের সম্পূর্ণ গাইডলাইন নিয়ে একটা পোস্ট করার চেষ্টা করবো। আপনাদের মধ্যে কে কে ইমেইল মার্কেটিং নিয়ে পোস্ট চান? একটা নিচের কমেন্ট বক্সে গিয়ে কমেন্ট করবেন প্লিজ!

ইমেইল মার্কেটিং
ইমেইল মার্কেটিং

ইমেইল মার্কেটিং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে সঠিক টুল নির্বাচন করা। আপনি যদি ইমেইল মার্কেটিং এর সাথে পরিচিত হতে চান, তাহলে আমাদের লেখা সেরা ইমেইল মার্কেটিং টুলগুলোর সাথে পরিচয় হতে এখান থেকে আর্টিকেলটি পড়ে নিতে পারেন।

ইমেইল মার্কেটিং কার্যকর একটা পদ্ধতি। এখান থেকে আপনি 80 পার্সেন্ট আউটপুট পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা নিজেরাও ইমেইল মার্কেটিং থেকে সবচেয়ে বেশি প্রফিটেবল সাড়া পেয়ে থাকি। সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে ইমেইল মার্কেটিংয়ে আপনাকে সবচেয়ে কম টাকা বিনিয়োগ করতে হবে এবং আপনার বিনিয়োগের তিনগুণ আউটপুট আপনি এখান থেকে পেতে পারেন। তবে সঠিক মানের মার্কেটিং এর সাথে সাথে সক্রিয় ইমেইল গুলো সংগ্রহ করার জন্য আপনাকে ইমেল লিস্টিংয়ের দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

পুশ নোটিফিকেশন সিস্টেম –

আপনি যখন কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করেন, তখন হয়তো লক্ষ্য করেছেন। ওয়েবসাইট ভিজিট করার সাথে সাথে বা কিছু সময় পর একটা নোটিফিকেশন আসে “Subscribe for new Blog” এমন। একেকটি ওয়েবসাইটে একেকরকম সিস্টেম ব্যবহার করে থাকে। ঠিক আপনিও আপনার ওয়েবসাইটে এই সিস্টেম বা টুলটি ব্যবহার করুণ। কেননা, এই পদ্ধতিতে আপনি একাধিক একটিভ ট্রাফিক বা ক্রেতা পেয়ে যাবেন। এই পদ্ধতি ব্যবহারের ফলে আপনার প্রফিট হচ্ছে আপনি যখনি ওয়েবসাইটে নতুন কোন পোস্ট করবেন বা নতুন কোন পণ্য আপলোড করবেন। সাতে সাথে পোস্ট বা পণ্যের একটি নোটিফিকেশন আপনার সাবস্ক্রাইবারদের কাছে পৌছে যাবে।

নোটিফিকেশন
নোটিফিকেশন

একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে একবার আসার পর সে দ্বিতীয়বার ওয়েবসাইটে ভিজিট করছে কিনা সেটা গুগল অ্যালগরিদম সবসময় মনিটরিং করে। যখন একজন ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইট একবার ভিজিট করার পরে পরবর্তীতে পুনরায় ভিজিট করে। গুগল মনে করে আপনার ওয়েবসাইটে পর্যাপ্ত তথ্য রয়েছে। যা তাদের ইউজারদের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। ফলে আপনার ওয়েবসাইটে অর্গানিক ট্রাফিক পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়ে যায়। এমনকি নোটিফিকেশনের মাধ্যমে আপনি সবসময় একটিভ ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে পেয়ে থাকবেন। যারা সব সময় আপনার কনটেন্ট গুলোর অপেক্ষায় থাকবে।

আমরা আশা করছি আজকের পাঁচটি কৌশল আপনাদের অনেক বেশী সাহায্য করবে। আপনি যদি কনটেন্ট মার্কেটিংয়ের আরো কৌশল সম্পর্কে জানতে চান তাহলে এই পোষ্টের লিংক টি সংরক্ষণ করে রাখতে পারেন। কেননা আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের আর্টিকেল গুলোতে বিভিন্ন সময় পরিবর্তন নিয়ে আসি। যেন সময় অনুযায়ী উপযুক্ত কনটেন্ট আমরা আমাদের ওয়েবসাইটের ভিজিটরদের জন্য উপস্থাপন করতে পারি। এই পাঁচটি কৌশল আপনার কেমন লেগেছে অবশ্যই কমেন্টের মাধ্যমে জানাতে ভুলবেন না। আপনার কমেন্ট আমাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমরা সব সময় আপনাদের কমেন্ট গুলোর অপেক্ষায় থাকি। আপনাদের কমেন্ট গুলো আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করে আরো ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করার জন্য। ধন্যবাদ!

Advertisement
Advertisement
Advertisement

2 thoughts on “কন্টেন্ট মার্কেটিং এর ৫টি কার্যকর কৌশল”

  1. Avatar

    আপনাদের ধন্যবাদ জানাই ভাইয়া। আরও এরকম কিছু কৌশল শেয়ার করলে ভালো হবে। বিডি ব্লগ থেকে সবসময় ভালো কিছু আশা করি।

  2. Avatar

    ভাই, কন্টেন্ট মার্কেটিং এর যে কন্টেন্ট মার্কেটিংয়ের ৫টি কার্যকর কৌশল নিয়ে আলোচনা করলেন, তা খুবই মূল্যবান। খুব ভাল লেগেছে। আগামীতে ৫গুন ৫=২৫ সাব ক্যাটাগরিতে কৌশল সম্পর্কে জানতে ইচ্ছুক। বিডিব্লগের উজ্জ্বল ভবিষ্যত কামনা করছি।

নিচের বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান।