কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন - সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি।

কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন? সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি

Advertisement

ওয়েবসাইট ট্রাফিক বৃদ্ধি করার জন্য কিভাবে এসইও করবেন তা জানতে বিস্তারিত পড়ুন। আপনি যদি ওয়েবসাইট সম্পর্কে জেনে থাকেন, তাহলে ওয়েবসাইট এসইও পদ্ধতি সম্পর্কে অবশ্যই জানবেন। সুতরাং এসইও এর গুরুত্ব ও ব্যবহার সম্পর্কে আপনাকে বিস্তারিত জানাতে হবে।

আপনি যদি ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে কোন কাজ বা বিজনেস করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই এসইও জানতে হবে। কারণ, এসইও না জানলে যে আপনার ওয়েবসাইটের সেবা বা সার্ভিস সম্পর্কে কেউ জানতে পারবে না। এজন্য আপনাকে অবশ্যই এসইও জানতে হবে।

আবার অনেকে আছে এসইও কে অনেক বেশি জটিল মনে করে থাকে। মূলত এসইও খুবই সহজ একটি পদ্ধতি। শুধুমাত্র আপনাকে সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে সাধারণ ধারণা রাখতে হবে। আমাদের বিডি ব্লগ এর যতগুলো টিউটিরিয়াল রয়েছে এগুলো ফলাফল লেখ আপনি এসি সম্পর্কে গভীর ধারণা লাভ করতে পারবেন অর্থাৎ এসি সম্পর্কে অনেক বেশি জানতে পারবেন। 

কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন_ সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি।
কিভাবে ওয়েবসাইট এসইও করবেন_ সম্পূর্ণ এসইও পদ্ধতি।

একটা ওয়েবসাইট এসইও করার জন্য কিভাবে এসইও করবেন তা জানার আগে প্রয়োজন এসইও এর পদ্ধতি বা প্রসেস গুলো। সহজে বলতে গেলে আপনি এসইও করার জন্য কোন কোন স্টেপ গুলো অনুসরণ করবেন এবং সেই পদ্ধতি গুলোর নাম কি তা অবশ্যই আপনাকে জানতে হবে।

আজকের টিউটোরিয়ালটি যদি আপনি সম্পূর্ণ পড়েন, তাহলে আপনি এসইও এর পদ্ধতি সম্পর্কে জানতে পারবেন। সুতরাং আমি আপনাকে বলবো যদি আপনি এসইও জানতে চান, তাহলে আপনি এটা খুবই মনোযোগ দিয়ে পড়ুন।

একটি কমপ্লিট ওয়েবসাইট এসইও এর জন্য ৪টি পদ্ধতি রয়েছে –

  1. কিওয়ার্ড সিলেকশন
  2. কনটেন্ট তৈরি
  3. অন পেজ অপটিমাইজেশন
  4. অফ পেজ অপটিমাইজেশন।

আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং, এফিলিয়েট মার্কেটিং, ব্লগিং, ই-কমার্স ইত্যাদি নিয়ে কাজ করেন, তাহলে অবশ্যই এই চারটি পদ্ধতি আপনার জানা প্রয়োজন। ৪টি পদ্ধতি যদি আপনি সঠিকভাবে আপনার ওয়েবসাইটে প্রয়োগ করতে না পারেন, তাহলে আপনার দ্বারা অনলাইনে সফল হওয়ার কঠিন হয়ে যাবে। এই পদ্ধতিগুলোর সোনার ক্ষেত্রে অনেকটা জটিল মনে হতে পারে কিন্তু এগুলো খুবই সহজ কাজ আপনি একটু চেষ্টা করলেই আপনার ওয়েবসাইট এসইও করার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিনের টপ রাংকিং এ নিয়ে আসতে পারবেন।

আমরা প্রথমদিকে বলেছি অনেকেই এসইও কে জটিল ভাষায় সংজ্ঞায়িত করে থাকে। কিন্তু আমরা আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করব এসইওর সহজ ধাপগুলো নিয়ে।  এগুলো যদি আপনি অনুসরণ করতে পারেন এবং এগুলো আপনার ওয়েবসাইটের সঠিকভাবে অ্যাপ্লাই করতে পারেন, তাহলে আপনি আপনার ওয়েবসাইট থেকে ভালো পরিমাণ বিক্রয় করতে পারবেন। অথবা আপনি যদি অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং নিয়ে কাজ করে থাকেন, অ্যাফিলিয়েট ইনকাম করতে পারবেন। অথবা আপনি যদি ব্লগিংয়ের মাধ্যমে ইনকাম করতে চান, ভালো ট্রাফিক নিয়ে আসার মাধ্যমে আপনি ব্লগিং থেকে ভালো পরিমাণ উপার্জন করতে পারবেন। 

এখন আমরা ওয়েবসাইট এসইও এর ৪টি পদ্ধতি নিয়ে পরিচয় জানবো-

আমাদের বিডিব্লগে এসইও সম্পর্কে বিভিন্ন ধারাবাহিক টিউটোরিয়াল আমরা প্রকাশ করে থাকি।  আজকের লেখা ঠিক হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে কিছু ধারনা। এই লিখাটি পড়লে আপনি এসইও কি কি করতে হবে এবং কোন কোন স্টেপ গুলো আপনাকে অপটিমাইজ করতে হবে সে বিষয়ে সম্পর্কে আপনি জেনে যাবেন।  চলুন আমরা জেনে নিই — 

১. কিওয়ার্ড সিলেকশন –

আপনার ওয়েবসাইটটি যে কিওয়ার্ড এর মাধ্যমে Rank করাতে চান সেই কিওয়ার্ড আপনাকে খুঁজে বের করতে হবে। যেমন – আপনার ওয়েবসাইট হচ্ছে ইলেকট্রনিকস ই-কমার্স ওয়েবসাইট। তাহলে ইলেকট্রনিকস গ্যাজেট বিক্রি করার জন্য আপনাকে ইলেকট্রনিকসের কিওয়ার্ড সিলেক্ট করে তা Rank করার কাজ করতে হবে। কিওয়ার্ড সিলেকশনের জন্য অনলাইনে অনেকগুলো টুলস আছে।

Advertisement

কিছু জনপ্রিয় কিওয়ার্ড রিসার্চ ভুল হচ্ছে: 

  • Ahrefs
  • Moz
  • Google keyword planner
  • Ubersuggest

২. কনটেন্ট তৈরি –

কিওয়ার্ড সিলেকশন করতে পারলে অবশ্যই আপনি কনটেন্ট তৈরি করতে পারবেন। কনটেন্ট তৈরি বলতে আপনি যে বিষয় নিয়ে কিওয়ার্ড সিলেকশন করেছেন, সেই বিষয়টি মাথায় রেখে সম্পূর্ণ একটি বর্ণনা লেখা বা ভিডিও তৈরি করা। আপনি ওয়েবসাইটের জন্য অবশ্যই লেখবেন এবং ইউটিউব বা ভিডিও ওয়েবসাইটের ভিডিও তৈরি করবেন।

আপনি যখন আপনার ওয়েবসাইটের জন্যে কন্টেন লিখবেন, তখন যে কিওয়ার্ডটি কে আপনি তার গেট করেছেন। সে কী-ওয়ার্ডটি কে আপনি অপটিমাইজ করে আপনার কনটেন্টটি তৈরি করবেন। কনটেন্ট রাইটিং খুবই মজার একটি বিষয়। আমি নিজেও কনটেন্ট লিখতে অনেক বেশি ভালোবাসি। তবে আমি বাংলা ভাষায় কনটেন্ট  লিখতে প্রাউড ফিল করি। অনেকেই বাংলা ভাষায় কনটেন্ট রাইটারকে এত বেশি মূল্যায়ন করেনা। কিন্তু আমার কাছে এটি খুবই মূল্যবান একটি কাজ। ওয়েবসাইট এসইও পদ্ধতি যে বাংলায় জানতে পারছেন, এটাও মজার না?

৩. অন পেজ অপটিমাইজেশন –

কনটেন্ট তৈরি করার পর কনটেন্টটি কে গুগলে Rank করানোর জন্য আপনাকে কনটেন্টটি অপটিমাইজ করতে হবে। কনটেন্ট অপটিমাইজেশন করার মাধ্যমে আপনি আপনার কিওয়ার্ড ও কনটেন্টকে সার্চ ইঞ্জিনে Rank করাতে পারবেন। অন পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য আপনাকে দুটি দিক বিবেচনা করে অপটিমাইজ করতে হবে।

১. সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য উপযোগী করে

২. আপনার ভিজিটরদের জন্য উপযোগী করে

সার্চ ইঞ্জিনের জন্য অপটিমাইজ বলতে সার্চ ইঞ্জিন যেন আপনার লেখাটিকে কি সম্পর্কে লেখা হয়েছে সেটা সহজে বুঝতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন যেন  আপনার ভিজিটরদের কাছে আপনার লেখা কন্টাক্ট উপস্থাপন করতে পারে। সে বিষয়ে আপনাকে ওয়েবসাইট এসইও পদ্ধতি নিয়ে মনোযোগী হতে হবে এবং সার্চ ইঞ্জিনকে বুঝাতে হবে। আপনার লেখাটা কোন বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে  তা সার্চ ইঞ্জিন বুঝতে পারলে আপনার লেখাটিকে সংগ্রহ করবে এবং সার্চ রেংকিং এ নিয়ে আসবে।

৪. অপ পেজ অপটিমাইজেশন –

অপ পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য নির্দিষ্ট কোন সময় সীমানা নেই। এটার জন্য আপনাকে সময় দিতে হবে এবং ধর্য্য নিয়ে কাজ করতে হবে। অপ পেজ অপটিমাইজেশন এর জন্য আপনাকে বিভিন্নভাবে কাজ করতে হবে। তার মধ্যে যেমন- ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা, সোস্যাল মিডিয়া ওয়েবসাইটে আপনার কনটেন্ট ও ওয়েবসাইট শেয়ার করা ইত্যাদি।

আশা করি আমাদের এসইও পর্বের এই ছোট্ট আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা অনেক কিছুই জানতে পেরেছেন। এ সম্পর্কে আরো বিস্তারিত জ্ঞান অর্জন করার জন্য আমাদের ডিজিটাল মার্কেটিং ও এসইও ক্যাটাগরি ভিজিট করুন। 

Advertisement
Advertisement

Advertisement

নিচের বাক্সে আপনার মতামত লিখে জানান।