নতুনদের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন
নতুনদের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং স্টেপ বাই স্টেপ গাইডলাইন

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে কি আপনি আগে কখনও শুনেছেন? যদি শুনে থাকেন, তাহলে ভালো।😜 আর যদি না শুনে থাকেন, তাহলেও কোনো সমস্যা নেই।👌 কারণ, আজকের লেখাটিতে আমি নতুনদের জন্য অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত বলতে যাচ্ছি।

বিজনেস ইনসাইডার বলছে অনলাইনে ১৫% ইনকাম হয় শুধুমাত্র অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে। শুধুমাত্র ১৫% অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ইনকাম হয়। মানে আপনি কি বুঝতে পেরেছেন এটি কত বড় একটা অংশ?

নিচের ছবিতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের চাহিদা দেখুন:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ভবিষ্যৎ
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ভবিষ্যৎ

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ভবিষ্যৎ বিজনেসের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এবং ভবিষ্যতেও এর চাহিদা থাকবে প্রচুর।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কি?

এটি এমন একটা ডিজিটাল মার্কেটিং বিজনেস। কোনো ব্যক্তি বা কোম্পানির পণ্য ও সেবা বিক্রি করে দেওয়ার মাধ্যমে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশনের গ্রহণ করাকে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।

যেমন: আপনি আমাজনের কোন পণ্যের বিজ্ঞাপন বা লিংক আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে মার্কেটিং করে বিক্রি করলেন। এর জন্য আমাজন ঐ পণ্যের লভ্যাংশ থেকে আপনাকে নির্দিষ্ট একটি অংশ শেয়ার করবে। যদি আপনার মাধ্যমে একটি হাত ঘড়ি বিক্রি করে আমাজন ৫ ডলার লাভ করে, তাহলে আমাজন আপনাকে ৩০% কমিশন দিলে, ৫ ডলার থেকে আপনি পাবেন প্রায় ১.৫ ডলার। যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১২৫ টাকা।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের ক্ষেত্রে কুকি খুবই গুরুত্বপূর্ণ:

ওয়েবসাইট কুকি আপনাকে কখনও স্পামিং করতে দিবেনা। আপনি যদি স্পামিং করে কমিশন আয় করতে চান, তাহলে কুকি আপনাকে ভ্যান করে দিবে। এজন্য আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কমিশন আয় করতে দুটি বিষয় আপনাকে মানতে হবে।

  • ক. অবশ্যই সঠিক ব্যক্তির কাছে আপনার আনইউনিক লিংকটি ব্যবহার করে পণ্য ও সেবা বিক্রি করতে হবে।
  • খ. সঠিক ব্যক্তিকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আপনার লিংকটি ব্যবহার করে পণ্য বিক্রি করতে হবে।

সঠিক ব্যক্তি বলতে কি বুঝানো হয়েছে?

“ক” তে সঠিক ব্যক্তি বলতে আপনার ওয়েবসাইট থেকে কোন ভিজিটর আপনার লিংকটি ব্যবহার করে পণ্য ও সেবা ক্রয় করতে পারবে তা বুঝানো হয়েছে। কিন্তু আপনার লিংকটি আপনাকে ব্যবহার না করার জন্য বলা হয়েছে। “খ” তে নির্দিষ্ট সময় বলতে প্রতিটি কুকির একটা নির্দিষ্ট সময় থাকে, যেমন আমাজনের কুকির সময় হচ্ছে ২৪ ঘন্টা।

এখন আপনার লিংকটি কেউ যদি একবার ভিজিট করে, তাহলে সে ২৪ ঘন্টার মধ্যে যত পণ্য ও সেবা ক্রয় করবে। সবগুলো থেকে আপনি কমিশন পাবেন। কিন্তু ২৪ ঘন্টা পরে ক্রয় করলে আপনি আর কমিশন পাবেন না।

কত টাকা আয় করতে পারবেন এফিলিয়েট মার্কেটিং করে?

মূলত, এখান থেকে কত টাকা আয় করতে পারবেন বা বলা কঠিন। কেননা, এখান থেকে আপনি আনলিমিটেড ইনকাম করতে পারবেন। তবে ইনকামের পরিমাণ একমাসে বেশি বা একমাসে কম হতে পারে। আপনার ব্লগে টার্গেটেড ভিজিটর বৃদ্ধি পেলে আপনার ইনকামও বৃদ্ধি পাবে। এবং ভিজিটর কমে গেলে ইনকামও কমে যাবে।

নিচে আপনি গত ২০১৯ সালে শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসে অ্যাফিলিয়েট থেকে ইনকাম করেছে এমন কিছু ওয়েবসাইটের একটা ছবি দেখতে পাচ্ছেন। এই স্ক্রিনশট থেকে ধারণা নিতে পারেন, মূলত মাসে কত টাকা আয় করা সম্ভব।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইনকাম
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ইনকাম

ঠিক আছে, এবার চলুন আমরা জেনে নিই

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য আমাদের কি কি করতে হবে?

প্রথম ধাপ: একটা প্লাটফর্ম তৈরী করতে হবে:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করার জন্য একটা সঠিক প্লাটফর্ম বাঁচাই করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্লাটফর্ম বলতে বুঝানো হয়েছে:

  • ব্লগ ওয়েবসাইট এবং
  • ইউটিউব
  • মূলত এই দু’টি হচ্ছে গ্রহণ যোগ্য প্লাটফর্ম। যার মাধ্যমে আপনি মার্কেটিং করে কমিশন আয় করতে পারবেন।

দ্বিতীয় ধাপ: একটা সঠিক বিষয় ঠিক করতে হবে:

অনলাইনের ভাষায় এটাকে “নিশ” বলা হয়। আপনাদের সহজে বুঝানোর জন্য মূলত আমি নিশকে “বিষয়” হিসেবে পরিচিত করেছি। এক্ষেত্রে বিষয় নির্ধারণ করার জন্য আপনি চিন্তা করুণ কোন বিষয় নিয়ে আপনি মানুষকে লেখার মাধ্যমে ভালো বুঝাতে পারবেন। যেমন:

  • ইলেকট্রনিকস
  • বিউটি
  • মেডিসিন
  • হোম এক্সেসরিজ
  • ডিজিটাল সার্ভিস ইত্যাদি।

আপনার পছন্দের যেকোনো একটি বিষয় ঠিক করুণ। যেটা আপনার জন্য সহজ মনে হবে। এখানে আমি মাত্র কয়েকটা বিষয়ের নাম দিয়ে উদাহরণ দিয়েছি। এরকম আপনি হাজার হাজার বিষয় পাবেন। যেখান থেকে আপনাকে বাঁচাই করে ঠিক করতে হবে।

তৃতীয় ধাপ: কোন কোম্পানির হয়ে মার্কেটিং করবেন তা ঠিক করতে হবে:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রথমে আপনাকে ঠিক করতে হবে আপনি কোন কোম্পানির হয়ে মার্কেটিং করবেন। যেমন: আমাজন, আলিবাবা, ক্লিক ব্যাংক, প্লিপ কার্ড ইত্যাদি।

মার্কেট প্লেস ঠিক করার সময় কিছু বিষয় দেখে নিবেন:
  • কত শতাংশ কমিশন দেয়?
  • মার্কেট প্লেটটির প্রতিযোগিতা কেমন?
  • যে পণ্য নিয়ে মার্কেটিং করবেন তার চাহিদা কেমন? ইত্যাদি।

এবার আমরা জেনে নিব কমিশন আয় করার জন্য কি কি করতে হবে—–

প্রথম ধাপ: সহজ ও আকর্ষণীয় কন্টেন্ট টাইটেল ব্যবহার করতে হবে:

আপনি যে বিষয় নিয়ে কন্টেন্ট লিখা শুরু করবেন, ঠিক সেই বিষয় নিয়ে সুন্দর ও সহজ একটা টাইটেল আপনাকে ব্যবহার করতে হবে। টাইটেলের মধ্যে আপনার কন্টেন্টের মূল বিষয় বস্তু ফুটিয়ে তুলতে হবে। তাহলে যেকোনো ভিজিটর আপনার টাইটেল পড়ে ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে আগ্রহী হবে।

দ্বিতীয় ধাপ: শক্তিশালী কন্টেন্ট লিখতে হবে:

শক্তিশালী কন্টেন্ট বলতে বুঝানো হয়েছে আপনার লেখার দক্ষতাকে। আপনি লেখার মাধ্যমে যত তথ্য বহুল আলোচনা করতে পারবেন, ততই বেশি আপনার লিংকটি ভিজিটর ব্যবহার করতে উৎসাহী হবে। লেখার ধারাবাহিকতা, সুন্দর পরামর্শ, সহজ আলোচনাকে মূলত শক্তিশালী কন্টেন্ট বলা হয়। লক্ষ্য রাখবেন আপনার কন্টেন্ট পড়ে যেন মানুষের সমস্যার সমাধান হয়।

তৃতীয় ধাপ: ন্যাচারাল অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করতে হবে:

আমরা ৮০% অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের ক্ষেত্রে দেখি তারা কন্টেন্টের মাঝখানে অ্যাফিলিয়েট লিংকটি ব্যবহার করে। এটাতে আপনার বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ২০% কিন্তু আরও ৮০% বিক্রি কমে যাচ্ছে। আবার কন্টেন্টের মাঝখানে অ্যাফিলিয়েট লিংক ব্যবহার করা একধরনের স্পামিং হতে পারে। নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন স্পামিং লিংক কি এবং এটা ব্যবহার করা যাবেনা।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং স্পামিং লিংক
স্পামিং লিংক
এই নিয়মটি ঠিক নয়, যদি এই ভাবে লিংক ব্যবহার করেন। তাহলে এখনি সঠিক করুণ।

কিন্তু আপনি যদি নির্দিষ্ট করে অ্যাফিলিয়েট লিংকটি চিহ্নিত করে দেন, তাহলে আপনার বিক্রি বৃদ্ধির সম্ভাবনা ৮০% এ চলে যাবে। যেমন: স্পামিং থেকে বাঁচার জন্য নিচের ছবিতে দেওয়া পদ্ধতিতে অ্যাফিলিয়েট লিংক গুলো ব্যবহার করতে হবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং স্পামিং থেকে বাঁচার জন্য
স্পামিং থেকে বাঁচার জন্য

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং থেকে ইনকাম করার জন্য যা প্রয়োজন:

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে আয় করার জন্য মূলত প্রয়োজন টার্গেটেড ট্রাফিক। আপনার ব্লগে যদি ট্রাফিক না আসে, তাহলে আপনি কমিশন আয় করতে পারবেন না।

অ্যাফিলিয়েট থেকে তখন আপনার কমিশন আসবে, যখন নিচের ছবিতে দেওয়া ৩টি শর্ত পূরণ হবে।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং কমিশন
কমিশন

আবার নিচের ছবিতে দেখুন, একটি শর্ত হারিয়ে গেছে। যদি কোনো শর্ত হারিয়ে যায়, তাহলে কমিশন পাবেন না।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং শর্ত লস
শর্ত লস

এখন আমরা জেনে নিব কমিশন আয় করতে তিনটি শর্ত পূরণ করার ৩টি অসাধারণ আইডিয়া:

নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন ওয়েবসাইটে ট্রাফিক নিয়ে আসার কিছু গুরুত্বপূর্ণ সোর্স। এখান থেকে আমরা প্রথম ৩টি সোর্স ব্যবহার করবো। আমি প্রথমেই বলেছি, আমার এই লেখাটি সম্পূর্ণ নতুনদের জন্য। আপনি যদি মাত্র আজকেই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জেনে থাকেন, তাহলেও আপনি এই কাজটা করে কমিশন আয় করতে পারবেন। আমি গ্যারান্টি দিচ্ছি। নিচে আমাদের সাথে যোগাযোগ করার তথ্য দেওয়া হবে। চাইলে যোগাযোগ করতে পারবনে।

আমরা নিচেন ছবিতে দেখানো ৩টি পদ্ধতি নিয়ে কথা বলছি।

অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ট্রাফিক
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ট্রাফিক

প্রথম ধাপ: আপনার সাইটের জন্য পেইড বিজ্ঞাপন চালু করুণ:

গুগল, ফেসবুক ও বিং এ আপনি পেইড বিজ্ঞাপন চালু করতে পারেন। এখান থেকে আপনার ব্লগে ট্রাফিক আসতে শুরু করবে। অবশ্যই মনে রাখবেন সরাসরি আপনার অ্যাফিলিয়েট লিংকটিতে বিজ্ঞাপন দিবেন না। এটাতে বিজ্ঞাপন চালু করলে আপনার একাউন্ট বাতিল হতে পারে।

দ্বিতীয় ধাপ: অর্গানিক সোস্যাল মিডিয়া ট্রাফিক:

আপনার ওয়েবসাইটের লিংকটি সোস্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করার মাধ্যমে আপনি প্রচুর অর্গানিক ট্রাফিক পেয়ে যাবেন। এক্ষেত্রে আপনার ভালো একটা প্লাটফর্ম তৈরী করতে হবে। যেমন: ফেসবুক পেইজ ও গ্রুপ, লিংকড প্রোফাইল, গুগল প্লাস ইত্যাদি।

তৃতীয় ধাপ: সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন:

এটাকে সংক্ষেপে “SEO” বলা হয়। যার সম্পূর্ণ পরিচয় হচ্ছে: Search Engine Optimization। এই পদ্ধতিতে আপনি শুধুমাত্র কিছু টেকনিক ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ ফ্রি ট্রাফিক পাবেন। পেইড বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে আপনার ইনভেস্ট করতে হবে, কিন্তু এসইও করার মাধ্যমে আপনি সম্পূর্ণ ফ্রি-তে ট্রাফিক নিয়ে আসতে পারবেন।

এবার নিচের লেখাটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন:

আপনি যদি নতুন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে জেনে থাকেন, তাহলে এটি আপনার খুবই কঠিন কাজ মনে হতে পারে। তবে বিশ্বাস করুণ, এটি খুবই সহজ। আপনি যদি নিজের একটা ওয়েবসাইট নিজেই তৈরি করতে পারেন, তাহলে তো আর কথায় নেই। আপনার কিছু টাকা কম খরচ করতে হবে।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, আপনি কি ওয়েবসাইট নিজে তৈরি করতে পারেন?

যদি উত্তর না হয়, তাহলে আপনি আমাদের মাধ্যমে একটি ওয়েবসাইট করিয়ে নিতে পারেন। আমাদের সাথে আপনি সরাসরি ফেসবুকে মেসেজ করতে পারেন অথবা সরাসরি কল করতে পারেন: 01316520382

আপনার উত্তর যদি হ্যা হয়, তাহলে নিচের লিখাটা পড়ুন:

একটা ওয়েবসাইটের জন্য সঠিক হোস্টিং সার্ভার এবং একটা প্রফেশনাল রেসপনসিভ থিম নির্বাচন করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বলতে পারেন এগুলো ওয়েবসাইটের প্রাণ। ওয়েবসাইটের এই দুটি বিষয় যদি সঠিক না হয়, তাহলে আপনি শুরুতে ভুল করেছেন।

নিচের দেওয়া ৩টি ডোমেইন ও হোস্টিং কোম্পানির কাছ থেকে আপনি কোন চিন্তা ছাড়া ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করতে পারেন। আমি নিজেও এদের কাছ থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং সার্ভার ব্যবহার করছি। এবং আমাদের কাছ থেকে যারা ওয়েবসাইট তৈরি করিয়ে নেন, তাদের জন্যও আমরা এখান থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করে দিই।

আমার পছন্দের তালিকায় প্রথম হচ্ছে নেমচিপ:

এটি আমার কাছে বেস্ট একটা কোম্পানি। আমাদের এই “bdbloq.com” ওয়েবসাইটটিও এখানে হোস্ট করা। ” Namecheap” থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের বাটনে ভিজিট করুন। এখানে ৫০% ছাড় পেয়ে যাবেন। Namecheap সম্পর্কে আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ভিজিট করুন।

Get 50% Discount on Nemecheap

দ্বিতীয়তে রয়েছে ব্লুহোস্ট :

ব্লুহোস্ট এর সার্ভিস নিয়ে বেশি কিছু বলতে চাই না। এককথায় এটি অসাধারণ একটা ডোমেইন ও হোস্টিং সেবা দাতা কোম্পানি। BlueHost থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং ক্রয় করতে নিচের বাটনে ভিজিট করুন। এখানে ৭০% ছাড় পেতে পারেন। বিঃদ্রঃ অফার গুলো বিভিন্ন সময় পরিবর্তন করা হয়। আপনি ভিজিট করে দেখুন বর্তমানে কত ছাড় দেওয়া হচ্ছে।

Get 70% Discount on BlueHost

তৃতীয় হচ্ছে হোস্টগেটর কোম্পানি:

আমার মনে হয়, আমি আমার ৫০% ক্লায়েন্ট এর জন্য হোস্টগেটর কোম্পানির কাছ থেকে ডোমেইন ও হোস্টিং সেবা ক্রয় করেছি। এটি অসাধারণ একটা কোম্পানি।

Get 65% Discount on HostGator

এবার আসি থিম নিয়ে:

আপনি চাইলে তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে খুব কম দামে একটা থিম ক্রয় করতে পারেন। তবে আমি এটা না করার জন্য বলবো। আপনি থিম সরাসরি ডেভেলপারের কাছ থেকে থিম ক্রয় করতে না পারেন, তাহলে ফ্রি থিম ব্যবহার করুণ। ওয়ার্ডপ্রেসে আপনি হাজার হাজার ফ্রি থিম পাবেন। যদি আপনার থিম ক্রয় করার বাজেট থাকে, তাহলে নিচের বাটনে ভিজিট করুন। Themeforest হচ্ছে থিমের বিক্রয় কোম্পানির রাজা।

Themeforest

শেষ কথা:

আপনাদের আরও কোনো প্রশ্ন থাকলে, নিচের কমেন্ট বাক্সে লিখে জানান। ধন্যবাদ।

Leave a Reply